ঘুমের ঔষধ সম্পর্কে
/

ঘুমের ঔষধ সম্পর্কে কি জানতে চান – Straight Facts on Sleep Aids

162 বার পড়া হয়েছে

নিদ্রা বা ঘুম কি?

নিদ্রা বা ঘুম (Sleep) প্রাণীর মনোজৈবিক চাহিদাগুলোর মধ্যে অন্যতম যা মস্তিষ্কের বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়া বিক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। প্রাচীনকাল হতেই নিদ্রাকে একটি নিষ্ক্রিয় কালক্ষেপণকারী কার্যক্রম হিসেবে অভিহিত করা হয়। তবে বিংশ শতাব্দীর বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক এবং চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, নিদ্রা কোন সাধারণ শারীরবৃত্তীয় ঘটনা নয়। এটি একটি জটিল মস্তিষ্ক পরিচালিত চেতনার বিভিন্ন পর্যায়ের সমন্বিত ঘটনাক্রম।

ঘুমের ঔষধ সম্পর্কে কি জানতে চান - Straight Facts on Sleep Aids

নিদ্রা মানবদেহের সুস্থতার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী একজন সুস্থ মানুষের গড়ে প্রতি রাতে ৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন, তবে তা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারো কারো ক্ষেত্রে তা ৫-৬ ঘন্টা হতে শুরু করে ৯-১০ ঘন্টা পর্যন্ত হতে পারে। তাছাড়া মানবজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুমের পরিমাণ পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছে যে বয়সের ঊর্ধ্বগতির সাথে সাথে ঘুমের পরিমাণ নিম্নগামী হয়, নবজাতক শিশুর ক্ষেত্রে যা ১৬ ঘণ্টা থেকে শুরু হয়ে একজন পঞ্চাশোর্ধ ব্যক্তির ক্ষেত্রে ৫-৬ ঘন্টায় সীমাবদ্ধ হয়।

ঘুমের বিভিন্ন পর্যায়

ঘুমের গভীরতার উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা মানুষের ঘুমকে দুটি পর্বে বিভক্ত করেছেন। এগুলো হলো নন-র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট/নন-রেম ঘুম (Non Rapid Eye Movement/Non-REM Sleep) ও র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট/ রেম ঘুম (Rapid Eye Movement/REM Sleep, নিদ্রাবস্থায় বন্ধ চোখের পাতার পিছনে দ্রুত চোখ নাড়ানো পর্ব)। ঘুমের এই পর্বগুলো সারা রাত ধরে একটি চক্রাকারে ঘটতে থাকে। প্রতি ৯০-১১০ মিনিট পরপর একটি ঘুমচক্র সম্পন্ন হয়। এই ঘুমচক্রের প্রথম ৬০-৯০ মিনিট নন-রেম ঘুম পর্বের ৪ টি পর্যায় (Stage 1-4) ক্রমান্বয়ে চলতে থাকে এবং পরবর্তী ১০-৩০ মিনিটে ঘুমচক্রের রেম ঘুম পর্বটি সম্পন্ন হয়। এই রেম ঘুম পর্বে মানুষের স্বপ্ন দেখার প্রবণতা বেড়ে যায় এবং সকল কঙ্কাল পেশীর (Skeletal muscle) চলন ক্ষমতা হারায়, যাকে অ্যাটোনিয়া (Atonia) বলে।

ঘুমের প্রয়োজনীয়তা

যদিও মানব জীবনে নিদ্রা বা ঘুমের প্রকৃত প্রয়োজন বা কাজ সম্পর্কে এখনো সঠিক কোন তথ্য জানা যায়নি। তবে, বিজ্ঞানীগণ বিশ্বাস করেন যে, নিদ্রা মানবদেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যেমন মস্তিষ্কের কাঠামোগত বিকাশ, স্নায়ু কোষের মধ্যেকার সংযোগ দৃঢ়করণ, তথ্য প্রক্রিয়া ও সংরক্ষণকরন, স্থায়ী স্মৃতি তৈরি ইত্যাদিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন ও নিদ্রা সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যাধি একজন মানুষকে দীর্ঘ সময় নিদ্রা বঞ্চিত রাখতে পারে যা ওই ব্যক্তির নানান শারীরিক প্রক্রিয়া ও মানসিক দক্ষতা যেমন মনোযোগ, স্মৃতিধারণ ক্ষমতা, জ্ঞান আহরণ, নতুন দক্ষতা অর্জন, গৌণ জটিলতা সমূহের সমাধান, যৌক্তিক বিশ্লেষণ জাতীয় নানান পারদর্শিতায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। 

নিদ্রা সংক্রান্ত ব্যাধি (Sleep disorders)

নিদ্রা সংক্রান্ত ব্যাধি বা স্লিপ ডিসঅর্ডার (Sleep disorders) বেশ প্রাচীন ব্যাধিগুলোর মধ্যে অন্যতম। মস্তিষ্ক ঘুমের বিভিন্ন পর্যায় কে বেশ ঘনিষ্ঠভাবে নিয়ন্ত্রণ ও নিরীক্ষণ করলেও, অন্যান্য মস্তিষ্কের ব্যাধির মতোই ঘুমও মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এবং তখনই দেখা দেয় নিদ্রা সংক্রান্ত ব্যাধি। কিছু বেশ প্রচলিত নিদ্রা সংক্রান্ত ব্যাধি হলো ইনসমনিয়া (Insomnia) বা অনিদ্রা, স্লিপ এপনিয়া (Sleep apnea), দুঃস্বপ্ন ও ঘুমের ভয় (Nightmare and sleep terror), ঘুমিয়ে হাঁটা বা ঘুমিয়ে কথা বলা (Sleepwalking and sleep talking) ইত্যাদি। বিরল স্লিপ ডিসঅর্ডার গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো নারকোলেপসি (Narcolepsy), র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট বিহ্যাভিয়ার ডিসঅর্ডার (REM behaviour disorders) ইত্যাদি।

ইনসমনিয়া বা অনিদ্রা (Insomnia)

ইনসমনিয়া হলো একটি অনিদ্রা জনিত ব্যাধি যাতে রোগী নিদ্রাহীন রাত কাটান অথবা রাতের যেকোনো সময় বিশেষ করে মাঝরাতে নিদ্রা ভঙ্গ হলে পুনরায় আবার ঘুমিয়ে পড়া রোগীর জন্য দুরূহ হয়ে পড়ে,যাকে ফ্র্যাগমেন্টেড স্লিপ (Fragmented sleep) বলে। ইনসমনিয়ায় রোগীর ঘুমের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে দিনের বেলা রোগীর মধ্যে একটি ঝিমুনি ভাব কাজ করে। যেহেতু বয়সের সাথে সাথে ফ্র্যাগমেন্টেড স্লিপ হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায় তাই, ইনসমনিয়া সাধারণত বয়স্ক দের ক্ষেত্রে বিশেষ করে বয়স্ক মহিলাদের মধ্যে বেশি পরিলক্ষিত হয়। ইনসমনিয়া বিভিন্ন কারণে হতে পারে তার মধ্যে অন্যতম হলো :

  • শারীরিক ও মানসিক চাপ
  • উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা
  • বাত বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাথার জনিত অসুস্থতা
  • জেট ল্যাগ
  • নিদ্রাপূর্ব বদঅভ্যাস যেমন কফি বা মদ পান
  • শরীর চর্চা
  • কিছু নির্দিষ্ট রোগের জন্য ঔষধ সেবন যেমন মনোযোগের ঘাটতি/অতি সক্রিয়তা ব্যাধি (Attention Deficit Hyperactivity Disorder/ADHD), উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) বা নাক বন্ধ (Nasal congestion) ইত্যাদি।

ইনসমনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের ঔষধের পাশাপাশি কিছু আচরণগত চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এমন একটি আচরণগত চিকিৎসা হলো উদ্দীপনা নিয়ন্ত্রণ, অর্থাৎ বিছানায় যাবার পর ঘুম ব্যতীত উদ্দীপনা যোগায় এমন কোন কার্যক্রমে জড়িত না হওয়া। দ্বিতীয়ত ঘুম না পেলে ১৫ মিনিটের বেশি বিছানায় শুয়ে না থাকা। এই আচরণগত পরিবর্তনগুলি মস্তিষ্ককে ঘুমানো এবং বিছানায় থাকা এর মধ্যে যে সম্পর্ক তা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

নিদ্রাকালীন শ্বাস ব্যাঘাত/ স্লিপ এপনিয়া (Sleep apnea)

স্লিপ এপনিয়া হচ্ছে একটি শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত ব্যাধি যা ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যাঘাত ঘটিত কারণে হয়ে থাকে। সাধারণত এই ধরনের রোগীদের ঘুমের সময় জিহ্বা ও গলার শেষ প্রান্তের নরম বর্ধিত কলা (টিস্যু) শ্বাসনালিকে বন্ধ করে দেয়, ফলে কিছু সময়ের জন্য স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বাধা গ্রস্থ হয়। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে নাক ডাকা (snorting) ও হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে ওঠার প্রবণতা দেখা দেয়। এই রোগের চিকিৎসায় তেমন কোন ঔষধ ব্যবহৃত হয় না। তবে শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্যকারী কিছু যন্ত্র যেমন কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেসার ডিভাইস (Continuous Positive Airway Pressure Device/CPAP device), ডেন্টাল এপ্লায়েন্স (Dental appliance) এর ব্যবহার ও আচরণগত পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

ঘুমিয়ে হাঁটা এবং ঘুমিয়ে কথা বলা (Sleepwalking and Sleep talking)

ঘুমিয়ে হাঁটা এবং ঘুমিয়ে কথা বলা (Sleepwalking and Sleep talking), হচ্ছে এক ধরনের নিদ্রা বিষয়ক জটিলতা যা চিকিৎসাশাস্ত্রে সোমন্যামবুলিজম এন্ড সোমনিলোক (Somnambulism and Somniloquy) নামে পরিচিত। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী ঘুমিয়ে হাঁটার সময় মানুষ স্বপ্নে যা দেখে সেই অনুসারেই আচরণ করে। তবে এ ধারণা সত্যি নয়। স্বপ্নানুযায়ী আচরণ ঘুমন্ত অবস্থায় করাকে বলা হয় র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট উইদাউট অ্যাটোনিয়া (Rapid Eye Movement/REM without atonia)।

ঘুমিয়ে হাটা রোগে রোগী অনির্দিষ্টভাবে যেকোনো আচরণ যেমন অপলক তাকিয়ে থাকা, উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাফেরা করা, কাপড় পরিধান, বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়া এমনকি গাড়ি চালানোর মতো জটিল আচরণ করতে পারে যার সাথে তার স্বপ্নের কোনো সংযোগ নেই। স্লিপ ওয়াকিং এর ঘটনা সাধারণত ১৫ সেকেন্ড থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং ঘুম চক্রের স্টেজ-৪ নন-রেম ঘুম পর্বে হয়ে থাকে। ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর রোগী স্লিপ ওয়াকিং এর কোন ঘটনাই স্মরণ করতে পারে না।

স্লিপ টকিং হল ঘুমের মধ্যে কথা বলা বা খাপছাড়া কিছু শব্দের উচ্চারণ যা সাধারণত রোগীর স্বপ্নের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি সাধারণত ঘুম চক্রের স্টেজ-১ বা ২ নন রেম ঘুম পর্বে ঘটে।

নারকোলেপ্সি (Narcolepsy)

নারকোলেপ্সি একটি বিরল, আকস্মিক, অস্বাভাবিক ও অপ্রতিরোধ্য ঘুমের আক্রমণজনিত ব্যাধি, যা সাধারণত বংশীয় জিনগত কারণে হয়ে থাকে। নারকোলেপ্সিতে ঘুমচক্রের অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি দিনের বেলায় রেম ঘুম দ্বারা আক্রান্ত হন যার ফলে তিনি ওই স্বল্প সময়ের ঘুমে নানান স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন এবং তার কঙ্কাল পেশীয়ও সাময়িকভাবে অবশ হয়ে যায়। নারকোলেপ্সিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে নিম্নোক্ত উপসর্গগুলো পরিলক্ষিত হয়:

  • দিনের বেলায়ও অস্বাভাবিক, অপ্রতিরোধ্য, স্বল্প সময়ের প্রকট ঘুমে আক্রান্ত হওয়া
  • মানসিক উত্তেজনা যেমন হঠাৎ রেগে যাওয়া, অট্টহাসি বা চমকে ওঠার মতো ঘটনায় শরীর অবশ অনুভব করা, যাকে ক্যাটাপ্লেক্সি (Cataplexy) বলে। অনেক ক্ষেত্রে পা অবশ মাটিতে পড়ে যেতে পারে যা কিছুক্ষণ পর ঠিক হয়ে যায়।
  • এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কিছুটা বিভ্রম ও আধঘুমের হ্যালুসিনেশনে ভোগেন, যাকে হ্যিপনাগোজিক হ্যালুসিনেশন (Hypnagogic Hallucination) বলে, যা অনেকটা জেগে থেকে স্বপ্ন দেখার মত।
  • নারকোলেপটিক রোগী ঘুম থেকে জেগে ওঠার সময় স্লিপ প্যারালাইসিস (Sleep Paralysis) বা বোবায় ধরার সমস্যাতেও ভুগতে পারেন।

র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট বিহ্যাভিয়ার ডিজঅর্ডার (Rapid Eye Movement/REM Behaviour Disorder)

র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট বিহ্যাভিয়ার ডিজঅর্ডার, যাকে র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট উইদাউট অ্যাটোনিয়া (REM without atonia) ও বলা হয়, একটি নিদ্রাজনিত ব্যাধি যা ঘুমচক্রের রেম ঘুম পর্বে হয়ে থাকে। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যখন ঘুমচক্রের রেম ঘুম পর্বে প্রবেশ করেন তখন তাদের মস্তিষ্ক কঙ্কাল পেশীকে সাময়িকভাবে অবশ করার জন্য প্রয়োজনীয় বার্তা পাঠাতে ব্যর্থ হয় ফলে মানুষ এই পর্বে স্বপ্নে যা দেখে ঘুমন্ত অবস্থাতেই সেই অনুসারে আচরণ করে। তাদের আচরণে সম্পূর্ণ স্বপ্ন বা স্বপ্নের কিছু অংশের প্রতিফলন দেখা যায়। এই ধরনের আচরণ সমূহ হতে পারে কথা বলা, চিৎকার করা, হাত-পায়ের অনিয়ন্ত্রিত সঞ্চালন যেমন ঘুষি বা লাথি মারা, বিছানা থেকে ঝুলে পড়া ইত্যাদি। এই ধরনের রোগীরা ঘুমন্ত অবস্থায় কৃত কোনো আচরণের কথাই মনে রাখতে পারেন না এবং সজাগ না হওয়া ব্যতীত এমন আচরণ থেকে নিবৃত্ত ও হন না।

এমন আরো কিছু সাধারণ ও বিরল নিদ্রা জনিত ব্যাধির মধ্যে অন্যতম হলোঃ

  • রেস্টলেস লেগ সিনড্রোম (Restless Leg Syndrome)
  • পিরিওডিক লিম্ব মুভমেন্ট ইন স্লিপ (ঘুমের মধ্যে পর্যায়ক্রমিক অঙ্গ আন্দোলন) (Periodic Limb Movement in Sleep)
  • দুঃস্বপ্ন ও ঘুমের ভয় (Nightmares and Sleep Terror)
  • স্লিপ ব্রুক্সিজম বা দাঁতে দাঁত পেষা (Sleep Bruxism)
  • নিদ্রাজনিত আহারের ব্যাধি (Sleep-related eating disorder) ইত্যাদি

আমি জান্নাতুল ফেরদৌস, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগে স্নাতকোত্তর কোর্সে অধ্যয়নরত আছি। ফার্মেসি বিভাগে অধ্যয়নের সুবাদে ঔষধ সম্পর্কে অর্জিত সামান্য জ্ঞান আমাকে বুঝতে শিখিয়েছে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ঔষধের সঠিক ব্যবহার কতটা প্রয়োজনীয় এবং এর অনিরাপদ ও অনিয়ন্ত্রিত সেবন কিভাবে দিন দিন আমাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়িয়ে চলেছে। তাই, জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষালব্ধ এই স্বল্প জ্ঞানকে আমি আমার লেখার মাধ্যমে সাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। এবং প্রত্যাশা করি ভবিষ্যতে গবেষণামূলক বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আমি ঔষধ স্বাস্ত্র্যকে আরো সমৃদ্ধ করতে সচেষ্ট হব।

একটি প্রত্যুত্তর করুন

Your email address will not be published.