Drug drug interactions explained in Bangla

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়াঃ স্বাস্থ্যঝুঁকি বনাম সচেতনতা

406 বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনে সুস্থ থাকা অনেকাংশেই ঔষধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। দৈনন্দিন জীবনে খারাপ অভ্যাস, খাদ্যে ভেজাল, পরিবেশের বিরূপ প্রভাবসহ আরও অনেক কারণে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। আর সেই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানুষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ গ্রহণ করছে। কিছু কিছু রোগ যেমনঃ উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য তো মানুষ নিয়মিত ঔষধ গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে। অন্যথায় তারা জীবন নাশের হুমকিতে পড়ছে।

কিন্তু এই বিভিন্ন ধরনের ঔষধ গ্রহণ করতে গিয়ে মানুষ ঔষধের মিথষ্ক্রিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে চিন্তা করতে ভুলে যাচ্ছে। অথবা সচেতনতার অভাবে তারা এই বিষয়ে জানতেই পারছে না। ফলে অনেক সময় ঔষধ গ্রহণ করে সুস্থ হওয়ার বদলে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। আর যেহেতু বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করে এবং তারা সাধারণত কোন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ঔষধ গ্রহণ করে সেহেতু এই সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। তাই বিভিন্ন ধরনের ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবী হয়ে উঠেছে।

Drug interactions বা ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া হচ্ছে দুই বা ততোধিক ঔষধের মধ্যে এবং ঔষধ ও খাদ্যবস্তু বা সম্পূরক কোন বস্তুর মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে কোন ঔষধের কার্যকারিতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া। রোগীর স্বাস্থ্যগত অবস্থার কারণেও ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া ঘটতে পারে। ঔষধের মিথষ্ক্রিয়ার কারণে ঔষধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে, বেড়ে যেতে পারে অথবা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। কিছু ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া এমনকি মানুষের জন্য হুমকিস্বরূপও হতে পারে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়ার প্রকারভেদ

ঔষধের সম্ভাব্য মিথস্ক্রিয়াগুলো সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এগুলো গুরুতর প্রতিকূল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

সাধারণত তিন ধরনের ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। সেগুলো হলোঃ

১। ঔষধ-ঔষধ মিথস্ক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথস্ক্রিয়া হলো দুই বা ততোধিক ঔষধের একে অপরের সাথে প্রতিক্রিয়ার ফলাফল। এই ধরনের মিথষ্ক্রিয়া সাধারণত প্রেসক্রিপশনের ঔষধ এবং ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) ঔষধের সংমিশ্রণ থেকে হতে পারে। সংকীর্ণ থেরাপিউটিক রেঞ্জের ঔষধগুলো (থেরাপিউটিক এবং প্রাণঘাতী ডোজের মধ্যে সামান্য পার্থক্য) গ্রহণের ক্ষেত্রে এই মিথস্ক্রিয়া ঘটার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

উদাহরণ: এরিথ্রোমাইসিন (Erythromycin) বা ক্ল্যারিথ্রোমাইসিনের (Clarithromycin) মতো অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে ডিজক্সিন (Digoxin) গ্রহণ করলে ডিজক্সিনের বিষাক্ততা বৃদ্ধি পাবে। কারণ এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলো যকৃতের এনজাইমগুলোকে প্রভাবিত করে, যার ফলে ডিজক্সিন ধীরগতিতে বিপাক(নিষ্ক্রিয়) হয়। একইভাবে, মেথোট্রেক্সেট (Methotrexate) এবং আইবুপ্রোফেনের (Ibuprofen) একযোগে ব্যবহারের ফলে আইবুপ্রোফেন দ্বারা কিডনি নিঃসরণ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে মেথোট্রেক্সেটের বিষাক্ততা বৃদ্ধি পেতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে ঔষধের কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে যেখানে একটি ঔষধের ক্রিয়া অন্যটির ক্রিয়াকে হ্রাস করে। কিছু অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্র থেকে হরমোন পুনর্ব্যবহার করার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াকে দুর্বল করে গর্ভনিরোধক বড়ির কার্যকারিতা হ্রাস করে।

ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তীব্র হয় যখন একই প্রভাবের ঔষধ একসাথে গ্রহণ করা হয়। প্রোকোডেইনের মতো কাশির সিরাপ সহ কোডেইন(ব্যথানাশক) গ্রহণ করলে সেডেটিভ(ঘুমের প্রবণতা) প্রভাব বাড়বে। অ্যাসপিরিন (Aspirin), যা প্লেটলেট-বিরোধী; ওয়ারফারিন (Warfarin), হেপারিন (Heparin) বা অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্টের সাথে একত্রে দেওয়া হলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়। আইসোনিয়াজিড (Isoniazid) এবং প্যারাসিটামল (Paracetamol) একসাথে ব্যবহার করলে হেপাটোটক্সিসিটি (যকৃতের ক্ষতি) হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

২। ঔষধ-খাদ্য মিথস্ক্রিয়া

ঔষধ-খাদ্য মিথস্ক্রিয়া ঘটে যখন ঔষধগুলো খাদ্যবস্তু, বা পানীয়ের(এলকোহল সহ) সাথে প্রতিক্রিয়া দেখায়।  কিছু ঔষধ শরীরের পুষ্টি শোষণের ক্ষমতার সাথে হস্তক্ষেপ করতে পারে। একইভাবে, নির্দিষ্ট কিছু ভেষজ এবং খাবার ঔষধের প্রভাব কমাতে বা বাড়াতে পারে।

মদ্যপানের অভ্যাস ঔষধের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।  অ্যান্টিবায়োটিক মেট্রোনিডাজল (Metronidazole) খাওয়ার সময় অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় গ্রহণ করলে ত্বকে রক্তোচ্ছাস, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা এবং ধড়ফড়ানি হতে পারে। অ্যালকোহল অ্যান্টি-ডায়াবেটিক ঔষধের হাইপোগ্লাইসেমিক(রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে যাওয়া) প্রভাব এবং অনেক রক্তচাপের ঔষধের হাইপোটেনসিভ(রক্তচাপ কমে যাওয়া) প্রভাব বাড়ায়। তাই ঔষধ গ্রহণ চলাকালীন সময়ে অ্যালকোহল গ্রহণ না করা ভাল।

ধূমপানের ফলে শরীরে প্রবেশ করা তামাকও ঔষধের বিপাক(নিষ্ক্রিয়) বৃদ্ধি করে ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।  ক্যাফেইন, চা, কফি, কোমল পানীয় এবং চকলেট অ্যাজমা চিকিৎসায় ব্যবহৃত থিওফাইলিনের (Theophylline) সাথে ক্রিয়া করে বিষাক্ততার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আরও কিছু খাবার ঔষধের মিথস্ক্রিয়া ঘটায়। ওয়ারফারিন গ্রহণ করা ব্যক্তিদের প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি যেমন ব্রোকলি, পালং শাক এবং কলমি শাক খাওয়া এড়াতে হবে। কারণ এই খাবারে থাকা উচ্চ ভিটামিন-কে উপাদান ওয়ারফারিনের প্রভাবকে প্রতিরোধ করে।

আঙ্গুরের রস সিমভাস্ট্যাটিন (Simvastatin), নিফেডিপাইন (Nifedipine) এবং সাইক্লোস্পোরিনের (Cyclosporine) মতো ওষুধের প্রভাব বাড়ায় এবং সেক্ষেত্রে আঙ্গুরের রস গ্রহণ থেকে বিরত থাকা উচিত।

কিছু ভেষজ উপাদান ওয়ারফারিনের সাথে মিথষ্ক্রিয়া ঘটিয়ে ওয়ারফারিনের প্রভাব বাড়াতে বা কমাতে পারে।

৩। ঔষধ-রোগের মিথস্ক্রিয়া

ঔষধ-রোগের মিথস্ক্রিয়া ঘটে যখন একটি ওষুধ বিদ্যমান রোগের অবস্থাকে আরও খারাপ করে বা বাড়িয়ে দেয়।  উদাহরণস্বরূপ, সিউডোফেড্রিন (Pseudoephedrine) যুক্ত ঔষধ নাকের রক্তচাপ বাড়ায় এবং এই কারণে উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন মানুষদের এটা এড়িয়ে চলা উচিত।

হাঁপানি রোগীদের ক্ষেত্রে আইবুপ্রোফেনের মতো ওভার-দ্য-কাউন্টার NSAID (ব্যথানাশক) ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। কারণ এটি শ্বাসনালীর সংকোচন ঘটাতে পারে।

রোগীদের ওষুধের মিথস্ক্রিয়াগুলোর জন্য উচ্চ ঝুঁকিতে রাখে এমন রোগগুলোর মধ্যে রয়েছে কিডনি বা লিভারের রোগ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি, কার্ডিয়াক সমস্যা, মৃগীরোগ, উচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া সংক্রান্ত জটিলতা

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়ার কারণে বিভিন্ন জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। সেগুলো হলোঃ

ঔষধের শোষণ (Absorption) পরিবর্তন

অ্যান্টাসিড (Antacid) জাতীয় ঔষধ পাকস্থলীর পিএইচ বাড়িয়ে ক্ষারীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে। ফলে পাকস্থলীতে কিটোকোনাজল (Ketoconazole) জাতীয় অম্লীয় ঔষধের শোষণ কমে যায়।

টেট্রাসাইক্লিন (Tetracycline), কুইনোলনের (Quinolone) মতো অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধগুলো ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে অদ্রবণীয় উপাদান গঠন করে। ফলে ঔষধের শোষণ কমে যায়।

অ্যান্টিডিপ্রেশেন্ট জাতীয় ঔষধগুলো পাকস্থলীর নড়াচড়া কমিয়ে দেয়। ফলে পাকস্থলী খালি হতে সময় বেশি লাগে এবং ঔষধের শোষণ বেড়ে যায়।

নিওমাইসিন (Neomycin) ঔষধ শোষণে সমস্যা সৃষ্টি করে। ফলে ডিজক্সিন এবং ভিটামিনের শোষণ হ্রাস পায়।

আইসেনিয়াজিড, আম্পিসিলিন (Ampicillin), অ্যাজিথ্রোমাইসিন (Azithromycin) ঔষধগুলো খাদ্যের সাথে গ্রহণ করলে এগুলোর শোষণ হ্রাস পায়।

ঔষধের বিপাকীয় (Metabolism) পরিবর্তন 

রিফামপিসিন (Rifampicin) ঔষধ যকৃতে বিপাকীয় এনজাইমের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ওয়ারফারিন ঔষধের যকৃতে বিপাক(নিষ্ক্রিয়) বেশি  হয় এবং শরীরে  তার পরিমাণ কমে গিয়ে কার্যকারিতা হ্রাস পায়।

অ্যামিওডারন (Amiodarone) যকৃতে বিপাকীয় এনজাইমের কার্যকারিতা হ্রাস করে। ফলে ওয়ারফারিনের যকৃতে বিপাক(নিষ্ক্রিয়) কম হয় এবং শরীরে তার পরিমাণ বেড়ে গিয়ে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।

তবে যেসব ঔষধের ক্ষেত্রে বিপাকের পরে বিপাকীয় উপাদানই কার্যকর উপাদান হিসেবে উন্মুক্ত হয়(প্রোড্রাগ) তাদের ক্ষেত্রে ঠিক উল্টোটা ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, কোডেইনের (Codeine) বিপাকীয় কার্যকরী উপাদান হচ্ছে মরফিন (Morphine)।

ঔষধের নিঃসারণ (Excretion) পরিবর্তন 

ফেনোবারবিটল (Phenobarbital) এবং স্যালিসাইলেট (Salicylate) উভয়েই অম্লীয় ঔষধ। এক্ষেত্রে ফেনোবারবিটল মূত্রের পিএইচ কমিয়ে মূত্রকে অম্লীয় করে তোলে। ফলে অম্লীয় মাধ্যমে স্যালিসাইলেটের পুনঃশোষণ বেড়ে যায় এবং নিষ্কাশন কমে যায়। এক্ষেত্রে সোডিয়াম বাইকার্বনেট গ্রহণ করলে এই সমস্যা সমাধান হয়।

রিফামপিসিন বৃক্কে ডিজক্সিন, সাইক্লোসপোরিনের (Cyclosporin) সক্রিয় ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। অপরদিকে কুইনিডিন (Quinidine), ভেরাপামিল (Verapamil) ইত্যাদি এই ঔষধগুলোর সক্রিয় ক্ষরণ কমিয়ে দেয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া (drug interactions) ঘটার সম্ভাব্য কারণসমূহ

  • একই সময়ে একাধিক রোগের ঔষধ গ্রহণ করলে
  • একই সময়ে একাধিক ব্যক্তি প্রেসক্রিপশন করলে
  • একই ঔষধের একাধিক কার্যকারিতা থাকলে
  • বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণে
  • রোগী নির্দেশনা সঠিকভাবে মেনে না চললে
  • বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে 
  • অজ্ঞানতা এবং অসচেতনতা
  • চিকিৎসক এবং রোগীর মাঝে সুসম্পর্কের অভাব
  • যথাযথ ফার্মাসিস্ট সেবার অভাব

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া কমাতে করণীয়

  • কোন ঔষধ কেন গ্রহণ করছি তা জানতে হবে
  • ঔষধের নামগুলো সঠিকভাবে জানতে হবে
  • ঔষধের নামগুলো সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে হবে
  • ঔষধ গ্রহণের সঠিক নিয়ম জানতে হবে
  • একই ফার্মেসী থেকে ঔষধ নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে
  • ফার্মাসিস্টদের পরিপূরক ঔষধ সম্বন্ধে ভাল ধারণা থাকতে হবে
  • পূর্বে গ্রহণকৃত ঔষধ সম্পর্কে চিকিৎসককে জানাতে হবে
  • চিকিৎসকের নিকট অসুস্থতার পূর্ণ বর্ণনা দিতে হবে
  • চিকিৎসকে পরামর্শ সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে
  • ফার্মাসিস্টের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ গ্রহণ করতে হবে
  • ওভার দ্য কাউন্টার(OTC) ঔষধ গ্রহণের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে
  • প্যাকেজিংয়ের সময় সঠিকভাবে লেবেলিং করতে হবে।

পরিশেষে, মানুষ ঔষধ গ্রহণ করে রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য। কিন্তু এই ঔষধের ভুল ব্যবহার ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া ঘটায়। তখন এই ঔষধই মানুষের ক্ষতির কারণ হয়। বর্তমান সময়ে মানুষ অনেক স্বাস্থ্য সচেতন। ঔষধ গ্রহণের ক্ষেত্রেও যদি সেই সচেতনতা অবলম্বন করা যায় তাহলে ঔষধের মিথষ্ক্রিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব।

তথ্যসূত্র

1. Thanakody HKR. Drug interactions. In: Walker R. & Whittlesea C. Clinical Pharmacy and Therapeutics. 5th edition. Toronto: Elsevier publishing; 2012. page 50-61.

আমি হৃদয় কুমার ঘোষ। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগে পঞ্চম বর্ষে অধ্যয়নরত। নিজের মনের অভিব্যক্তিগুলোকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করার জন্যই মূলত লেখালেখিতে হাতেখড়ি। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানার আগ্রহও সবসময়ই ছিল। নিজের জানাকে অন্যের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যও লেখার চেষ্টা করতাম।

তাছাড়া একজন বিতার্কিক হিসেবে যেকোনো বিষয়কে যুক্তিসঙ্গতভাবে গুছিয়ে উপস্থাপনের যে চর্চা তা আমার লেখালেখিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে বলে আমি মনে করি। একটা কিছু লেখার পরে বার বার পড়ি আর ভাবতে থাকি, কিভাবে লেখাটাকে আরও সহজ, সুন্দর এবং সাবলীলভাবে পাঠকের নিকট উপস্থাপন করা যায়। এটা করতে গিয়ে আমি কখনোই বিরক্তবোধ করি না বরং আমার ভালো লাগে। আর ভালো লাগার জায়গায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে আমি কখনোই কার্পণ্য করি না।

একটি প্রত্যুত্তর করুন

Your email address will not be published.